মঙ্গলে বৃষ্টির পূর্বাভাস দেবে যন্ত্র | প্রযুক্তি | Samakal Online Version
লোহিত গ্রহ মঙ্গলের বুকে কোনো দিন বৃষ্টিপাত হয়েছে কি-না তা অজানা। তবে ভবিষ্যতে অঝোরে বৃষ্টি নামবে কি-না তা হয়তো বলে দেবে যন্ত্র। বিশেষ অনুভূতিপ্রবণ এমন যন্ত্র তৈরি করতে যাচ্ছেন আমেরিকার কানসাস স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষকরা। গ্রাফিন কোয়ান্টাম ডট ব্যবহার করে তৈরি যন্ত্র ভিনগ্রহের আর্দ্রতা এবং চাপ সূক্ষ্মভাবে পরিমাপেও সহায়ক হবে।
ইউনিভার্সিটির রসায়ন প্রকৌশলের অধ্যাপক বিকাশ বেরি ও তার সহযোগী গবেষকরা প্রথমত অতিক্ষুদ্র গ্রাফিনের টুকরো দিয়ে গ্রাফিন কোয়ান্টাম বিন্দু তৈরি করেন। গ্রাফিন হচ্ছে একক পরমাণু বিশিষ্ট পুরুশিটের কার্বন পরমাণু, যা উচ্চমাত্রার বৈদ্যুতিক, যান্ত্রিক ও অপটিক্যাল বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন। দ্বিতীয়ত গবেষকরা অসংখ্য গ্রাফিন কোয়ান্টাম বিন্দু দিয়ে হাইড্রোসকপিক মাইক্রোফাইবারে একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলেন, যার দুই পাশেই ইলেক্ট্রড সংযুক্ত। নেটওয়ার্কে কোয়ান্টাম ডটগুলো এক ন্যানোমিটারেরও কম দূরত্বে এমনভাবে বসানো, যাতে সেগুলো পুরোপুরি জুড়ে না যায়।
অধ্যাপক বেরি বলেন, যন্ত্রটির আশপাশে যদি আর্দ্রতা কমিয়ে দেওয়া হয়, তবে ফাইবারে আটকানো পানি শুকিয়ে যাবে। এতে ফাইবার সংকুচিত হবে এবং ন্যানোমিটার স্কেলের গ্রাফিন কোয়ান্টাম বিন্দুগুলো কাছাকাছি চলে আসবে। বিন্দুগুলো কাছাকাছি এলে এক বিন্দু থেকে আরেক বিন্দুতে ইলেক্ট্রন পরিবহন বেশি হবে। এই ইলেক্ট্র পরিবহনের স্রোত হবে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাপক।
তিনি বলেন, যন্ত্রটি অনন্য এ কারণে যে এটি কেবল বেশি আর্দ্রতাই শনাক্ত করবে না, শূন্যস্থানে এটি সক্রিয় আরও বেশি। যেমন, এ যন্ত্র মহাকাশযানে সনি্নবেশিত থাকতে পারে, যেখানে আর্দ্রতা অনেক কম থাকে। এ যন্ত্রটি মঙ্গলের আকাশেও আর্দ্রতা সম্পর্কে ধারণা দেবে, যেখানে পৃথিবীর তুলনায় বায়ুমণ্ডলে চাপ একশ' ভাগের একভাগ। জিনিউজ, অনলাইন।
Make your Website... within your affordable Budget.
Know more details pls visit: www.ucebd.com
ইউনিভার্সিটির রসায়ন প্রকৌশলের অধ্যাপক বিকাশ বেরি ও তার সহযোগী গবেষকরা প্রথমত অতিক্ষুদ্র গ্রাফিনের টুকরো দিয়ে গ্রাফিন কোয়ান্টাম বিন্দু তৈরি করেন। গ্রাফিন হচ্ছে একক পরমাণু বিশিষ্ট পুরুশিটের কার্বন পরমাণু, যা উচ্চমাত্রার বৈদ্যুতিক, যান্ত্রিক ও অপটিক্যাল বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন। দ্বিতীয়ত গবেষকরা অসংখ্য গ্রাফিন কোয়ান্টাম বিন্দু দিয়ে হাইড্রোসকপিক মাইক্রোফাইবারে একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলেন, যার দুই পাশেই ইলেক্ট্রড সংযুক্ত। নেটওয়ার্কে কোয়ান্টাম ডটগুলো এক ন্যানোমিটারেরও কম দূরত্বে এমনভাবে বসানো, যাতে সেগুলো পুরোপুরি জুড়ে না যায়।
অধ্যাপক বেরি বলেন, যন্ত্রটির আশপাশে যদি আর্দ্রতা কমিয়ে দেওয়া হয়, তবে ফাইবারে আটকানো পানি শুকিয়ে যাবে। এতে ফাইবার সংকুচিত হবে এবং ন্যানোমিটার স্কেলের গ্রাফিন কোয়ান্টাম বিন্দুগুলো কাছাকাছি চলে আসবে। বিন্দুগুলো কাছাকাছি এলে এক বিন্দু থেকে আরেক বিন্দুতে ইলেক্ট্রন পরিবহন বেশি হবে। এই ইলেক্ট্র পরিবহনের স্রোত হবে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাপক।
তিনি বলেন, যন্ত্রটি অনন্য এ কারণে যে এটি কেবল বেশি আর্দ্রতাই শনাক্ত করবে না, শূন্যস্থানে এটি সক্রিয় আরও বেশি। যেমন, এ যন্ত্র মহাকাশযানে সনি্নবেশিত থাকতে পারে, যেখানে আর্দ্রতা অনেক কম থাকে। এ যন্ত্রটি মঙ্গলের আকাশেও আর্দ্রতা সম্পর্কে ধারণা দেবে, যেখানে পৃথিবীর তুলনায় বায়ুমণ্ডলে চাপ একশ' ভাগের একভাগ। জিনিউজ, অনলাইন।
Make your Website... within your affordable Budget.
Know more details pls visit: www.ucebd.com