ল্যাপটপ কিনতে ঋণ পাবে শিক্ষার্থীরা | প্রযুক্তি | Samakal Online Version

ল্যাপটপ কিনতে ঋণ পাবে শিক্ষার্থীরা | প্রযুক্তি | Samakal Online Version



বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সহজে ল্যাপটপ কেনার জন্য ঋণ প্রদানের উদ্যোগ নিয়েছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।ল্যাপটপ কিনতে ঋণ পাবে শিক্ষার্থীরা
সহজ শর্তে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের ঋণ দিতে নীতিমালা প্রণয়নে অচিরেই কমিটি গঠন করা হবে। রোববার রাজধানীর রূপসী বাংলা হোটেলে আয়োজিত 'বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে ল্যাপটপ ঋণ বিতরণে কর্মকৌশল নির্ধারণ' শীর্ষক আলোচনা শেষে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
আইসিটি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সভায় আইসিটি সচিব নজরুল ইসলাম খান এ ঘোষণা দেন।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বিভিন্ন ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি ছাড়াও শিক্ষার্থীরা তাদের মতামত তুলে ধরেন।
আলোচনায় বেসরকারি ব্যাংকের কয়েকজন প্রতিনিধি তথ্য ও যোগাযোগ খাতে ঋণ বিতরণে বিশেষ নীতিমালা তৈরির পক্ষে মত দেন। তারা এজন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে কৃষি ঋণ কর্মসূচির আদলে 'ল্যাপটপ ঋণ' শীর্ষক নীতিমালা প্রণয়নে তাগিদ দেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবুল কাশেম বলেন, শিক্ষার্থীদের দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে বাংলাদেশ ব্যাংক যে কোনো ভূমিকা গ্রহণে সবসময় প্রস্তুত রয়েছে। তবে এক্ষেত্রে কোন পদ্ধতিতে ঋণ দিলে শিক্ষার্থী এবং ব্যাংক উভয়ই লাভবান হবে তা নিয়ে আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে।
আইসিটি সচিব বলেন, "দেশে বর্তমানে ১২ লাখ শিক্ষার্থী রয়েছে। তবে আমরা প্রাথমিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য সহজ শর্তে ল্যাপটপ কেনার জন্য ঋণ বিতরণের কথা ভাবছি। যারা এ ল্যাপটপের মাধ্যমে উৎপাদনশীল কাজে অংশগ্রহণ করে অনায়াসে ঋণ পরিশোধ করতে পারবে।"
আলোচনায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ, কৃষি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুস সালাম, ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কাশেম মো. শিরিন, বাংলাদেশ ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক সুকোমল সিংহ চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
 
Make your Website... within your affordable Budget.
Know more details pls visit: www.ucebd.com

মোবাইলে ডাউনলোডের গতি ১৫০ এমবিপিএস! :: দৈনিক ইত্তেফাক

মোবাইলে ডাউনলোডের গতি ১৫০ এমবিপিএস! :: দৈনিক ইত্তেফাক  

মোবাইলে ডাউনলোডের গতি ১৫০ এমবিপিএস!
এক বছরেরও কম সময়ে আমরা প্রবেশ করেছি তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্কে। তবে প্রযুক্তি বিশ্ব তো আর বসে নেই, তারা চতুর্থ প্রজন্মের নেটওয়ার্কের পর পঞ্চম প্রজন্মের নেটওয়ার্ক নিয়েও কাজ শুরু করেছে। আর এসব গবেষণার ফলাফল হিসেবে মোবাইল ইন্টারনেটের গতি ক্রমেই দ্রুত থেকে দ্রুততর হয়ে উঠছে। সম্প্রতি এরকম আরেকটি মোবাইল নেটওয়ার্ক চালু করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার সবচেয়ে বড় মোবাইল অপারেটর এসকে টেলিকম। চতুর্থ প্রজন্মের এলটিই নেটওয়ার্কেরই একটি উন্নততর সংস্করণ তারা ব্যবহার করেছে এতে। আর তাতে করে প্রচলিত এলটিই নেটওয়ার্কের দ্বিগুণ এবং তৃতীয় প্রজন্মে মোবাইল নেটওয়ার্কের ১০ গুণ বেশি গতিতে তথ্য ডাউনলোড করা সম্ভব হয়েছে। এসকে টেলিকম জানিয়েছে, এলটিই-অ্যাডভান্স (এলটিই-এ) নামক এই নেটওয়ার্কের ডাউনলোড গতি পাওয়া গেছে সেকেন্ডে সর্বোচ্চ ১৫০ মেগাবিট। এই গতিতে ডাউনলোড করা গেলে ৮০০ মেগাবাইট আকারের একটি সিনেমা ডাউনলোড করতে সময় লাগবে মাত্র ৪৩ সেকেন্ড। আর ১ গিগাবাইট তথ্য ডাউনলোড করা যাবে ৫৫ সেকেন্ডেরও কম সময়ে! প্রাথমিকভাবে এই নেটওয়ার্কের সেবা দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউল এবং এর আশেপাশের ৪২টি শহর এবং ১০৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু করা হয়েছে। আরও ৮৪টি শহরে একে সম্প্রসারিত করা হবে বলে জানিয়েছে এসকে টেলিকম। অবশ্য এই বিপুল গতির নেটওয়ার্ক সমর্থিত হ্যান্ডসেটের সংখ্যা বর্তমানে মাত্র একটিই—স্যামসাংয়ের সর্বশেষ গ্যালাক্সি এস৪। এই বছরের মধ্যেই এলটিই-এ সমর্থিত আরও ৭টি হ্যান্ডসেট বাজারে নিয়ে আসার ঘোষণা দিয়ে রেখেছে এসকে টেলিকম। এলটিই-এ নেটওয়ার্ক নিয়ে অবশ্য জাপানের এনটিটি ডোকোমো-ও গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের বর্তমান এলটিই-এ নেটওয়ার্কে সর্বোচ্চ ১১২.৫ এমবিপিএস গতি পাওয়া যায়। ২০১৫ সাল নাগাদ এই গতিকে তারা ১জিবিপিএস-এ নিয়ে যাওয়ার জন্য গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে। উল্লেখ্য, দক্ষিণ কোরিয়ার ৬০ ভাগেরও বেশি স্মার্টফোন ব্যবহারকারীই এলটিই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে থাকে।
 
Make your Website... within your affordable Budget.
Know more details pls visit: www.ucebd.com

এখনো ট্যাবের চেয়ে জনপ্রিয় কলম! - প্রথম আলো

এখনো ট্যাবের চেয়ে জনপ্রিয় কলম! - প্রথম আলো


কম্পিউটার, ট্যাবলেট ও স্মার্টফোনের তুমুল জনপ্রিয়তার যুগে এখনও কলমের জনপ্রিয়তা ফুরিয়ে যায়নি। লেখার উপকরণ তৈরির জন্য বিখ্যাত জার্মান প্রতিষ্ঠান ফেবার ক্যাসেলের দাবি, এখনও কলম ও কাঠ-পেনসিলের জনপ্রিয়তাকে পেছনে ফেলতে পারেনি আধুনিক যুগের ইলেকট্রনিক পণ্যগুলো। এক খবরে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
এ প্রসঙ্গে ফেবার ক্যাসেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উন্নয়নশীল দেশগুলোতে এখনও কলম ও পেনসিল ব্যবহার করে হাতে লেখায় মানুষের আগ্রহ রয়েছে। নতুন শিক্ষা স্তর বৃদ্ধির সঙ্গে কলমের উদীয়মান বাজার তৈরি হয়েছে এবং চাহিদা না কমায় কলমের উত্পাদনও কমেনি।
ফেবার-ক্যাসেলের প্রধান নির্বাহী আন্তন ওলফগ্যাং সাম্প্রতিক এক সাক্ষাত্কারে রয়টার্সকে জানিয়েছেন, মানুষ এখন কলম দিয়ে আগের চেয়ে তুলনামূলকভাবে কম লেখালেখি করছে, কিন্তু যখন তাঁরা লেখালেখি করেন সবচেয়ে ভালো কলমটি দিয়েই তাঁরা তা করতে চান।
আন্তন ওলফগ্যং আরও বলেন, হাতে লেখা চিঠিপত্রের সময় কলমের ব্যবহার ছিল চোখে পড়ার মতো। বর্তমানে প্রযুক্তি অধিকাংশ মানুষের কাছেই জনপ্রিয় হচ্ছে, কিন্তু কলমের প্রয়োজনীয়তা এখনো ফুরোয়নি। দক্ষিণ আমেরিকা, এশিয়ার স্কুলগুলোতে শিক্ষার্থীদের কাছে পেনসিলের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। ফেবার ক্যাসেলের পেনসিলের দাম তুলনামূলকভাবে বেশি হলেও এর ব্র্যান্ড সুনামের কারণে বাজারে এটি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারছে।
১৭৬১ সালে ফেবার ক্যাসেল প্রতিষ্ঠা করেন ক্যাসপার ফেবার। প্রায় সাড়ে ছয় হাজার কর্মী এ প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে যুক্ত রয়েছে।
 
Make your Website... within your affordable Budget.
Know more details pls visit: www.ucebd.com

আকাশে উড়ল গুগলের বেলুন - প্রথম আলো

আকাশে উড়ল গুগলের বেলুন - প্রথম আলো

মাটির নিচে বা প্রত্যন্ত এলাকায় ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করতে অভিনব এক পদ্ধতি চালু করেছে বিশ্বখ্যাত সার্চ ইঞ্জিন গুগল। এ জন্য মহাকাশে বেলুন পাঠিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। গত শুক্রবার নিউজিল্যান্ড থেকে প্রায় ৩০টি সুপারপ্রেসার বেলুন আকাশে উড়ানো হয়। এ বেলুনগুলো নিয়ন্ত্রিত পথে উড়ে বেড়াবে।এর নেটওয়ার্ক তৃতীয় প্রজন্মের ইন্টারনেটের মতো গতি দেবে। প্রতিটি বেলুন ১৫ মিটার ব্যাসের এবং হিলিয়াম গ্যাসে পূর্ণ রয়েছে। বেলুনের নিচে সংযুক্ত রয়েছে রেডিও অ্যান্টেনা, ভাসমান একটি কম্পিউটার, উচ্চতা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ তৈরিকারী সোলার প্যানেলসহ বৈদ্যুতিক বিভিন্ন যন্ত্রাংশ। ভূমি থেকে ২০ কিলোমিটার উপরে ভেসে বেড়াবে এ বেলুন। এ উচ্চতা বাণিজ্যিক বিমান চলাচল ও নিয়ন্ত্রিত আকাশসীমার চেয়ে দ্বিগুণ। এ সময় ১০০ দিনে পূর্ব থেকে পশ্চিম দিকে ভেসে বেড়ানোর সময় নিচে ৪০ কিলোমিটার ব্যাসসমেত জায়গায় ইন্টারনেট সংযোগ সরবরাহ করবে বেলুনগুলো। দীর্ঘ ১৮ মাসের এক প্রকল্প বাস্তবায়ন করতেই গুগলের এমন উদ্যোগ বলে জানা গেছে।
গুগল জানায়, সংযোগ বিচ্ছিন্ন বিপর্যয়গ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার তৎপরতায় সহায়তা করার ক্ষেত্রে একসময় ব্যবহার করা হবে ইন্টারনেট সরবরাহকারী এ বেলুন। এ প্রকল্পের আওতায় ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন বিশ্বের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ এলাকা এ ইন্টারনেট সংযোগের সুবিধা পাবে। তবে গুগলের এমন ইন্টারনেট বেলুন ঠিকভাবে ইন্টারনেট সংযোগ দিতে পারবে না বলে মনে করছেন অনেকেই। তাদের মতো, গুগল এ কাজে ঠিক কতটা সফল হবে সেটিও বলা মুশকিল। তবে গুগলের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রযুক্তিপ্রেমীরা। —বিবিসি অবলম্বনে কাজী আলম
 
Make your Website... within your affordable Budget.
Know more details pls visit: www.ucebd.com

৯ বছর পর দাম কমছে মোবাইল ইন্টারনেটের :: দৈনিক ইত্তেফাক

৯ বছর পর দাম কমছে মোবাইল ইন্টারনেটের :: দৈনিক ইত্তেফাক

৯ বছর পর দাম কমছে মোবাইল ইন্টারনেটের
ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন ফোরামের আন্দোলনের মুখে অবশেষে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারের চার্জ কমতে যাচ্ছে। দেশের টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বিটিআরসি মোবাইল ফোন অপারেটরদের সাথে দফায় দফায় আলোচনা করে এই বিষয়ে নির্দেশনা জারি করা হবে বলে জানিয়েছেন বিটিআরসি-এর একাধিক কর্মকর্তা। স্মার্টফোনের দ্রুত ব্যবহার বাড়ায় এবং দাম কমার কারণে তরুণ সমাজের কাছে মোবাইলে ইন্টারনেট জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এই শ্রেণীর গ্রাহকরা মূলত ইমেইল, ব্রাউজিং আর সোশ্যাল নেটওয়ার্কই ব্যবহার করে। মোট মোবাইল ব্যবহারকারীর মধ্যে প্রায় সাড়ে তিন কোটি গ্রাহক মোবাইল ফোনের মাধ্যমে নিয়মিত মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। ২০০৪ সাল থেকে বিদ্যমান হারে প্রতি কিলোবাইটের জন্য ২ পয়সা করে চার্জ করছে মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলো। অথচ গত ৯ বছরে কয়েক দফায় ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথের দাম কমানো হয়েছে। ২০০৪ সালে প্রতি মেগাবাইট ব্যান্ডউইথের মূল্য ছিল ৭২ হাজার টাকা। বর্তমানে তা মাত্র ৪ হাজার ৮শত টাকা। এদিকে গতকালও মোবাইল ইন্টারনেটের দাম কমানোর দাবিতে বিটিআরসির সামনে অবস্থান ধর্মঘট করেছে বিভিন্ন সংগঠন। তাদের দাবি প্রতি মেগাবাইট ১০ পয়সা আর প্রতি গিগাবাইট ১০ টাকা নির্ধারণ করা হোক। তাই সুখের খবর হলো, মোবাইল কোম্পানির সঙ্গে বিটিআরসির আলোচনার মাধ্যমে খুব শীঘ্রই নতুন ও সাশ্রয়ী মূল্য নির্ধারণ করা হবে বলে সকলেই আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।
 
Make your Website... within your affordable Budget.
Know more details pls visit: www.ucebd.com

বিশ্বের প্রথম ট্যাবলেট ক্যাফে চালু করল গুগল :: দৈনিক ইত্তেফাক

বিশ্বের প্রথম ট্যাবলেট ক্যাফে চালু করল গুগল :: দৈনিক ইত্তেফাক


বিশ্বের প্রথম ট্যাবলেট ক্যাফে চালু করল গুগল
সাইবার ক্যাফে আমাদের দেশে মাঝখানে বেশ জনপ্রিয় হলেও বর্তমানে আগের মতো আর জনপ্রিয়তা নেই এর। ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের তুলনামূলকভাবে সহজলভ্য হয়ে যাওয়া, ওয়াইম্যাক্সের প্রসার এবং বিশেষ করে মোবাইল ব্রডব্যান্ডের প্রসারের কারণেই এখন আমাদের দেশে মানুষের হাতে হাতেই পৌঁছে গেছে ইন্টারনেট। বাংলাদেশে কয়েক বছর আগে ইন্টারনেট ব্যবহারের যে চিত্রটি ছিল, সেই চিত্রটি এখনও খুঁজে পাওয়া যায় আফ্রিকার অনেক দেশেই। সেসব দেশে সাইবার ক্যাফেও খুব বেশি নেই। এর মধ্যেই সাইবার ক্যাফে নিয়ে নতুন এক ধারণার সূচনা করেছে গুগল। সেনেগালের রাজধানী ডাকারে তারা এমন একটি সাইবার ক্যাফে স্থাপন করেছে, যাতে নেই কোনো ডেস্কটপ কম্পিউটার। এর বদলে সেই ক্যাফেতে ব্যবহার করা হয়েছে ট্যাবলেট পিসি। ইন্টারনেট ব্রাউজিংসহ সাইবার ক্যাফের প্রচলিত কাজগুলো এই ক্যাফেতে করা হচ্ছে ট্যাবলেট পিসি ব্যবহার করেই। একে তারা নাম দিয়েছে 'ট্যাবলেট ক্যাফে'। ট্যাবলেট পিসি দ্বারা পরিচালিত এটিই বিশ্বের প্রথম ক্যাফে। নতুন এই ট্যাবলেট ক্যাফে সম্পর্কে গুগল'র আফ্রিকা অঞ্চলের প্রধান টিডিয়ান ডেমি বলেন, 'এটিই বিশ্বের প্রথম ট্যাবলেট ক্যাফে, যেটি কেবল ট্যাবলেট পিসিতেই চলে।' সাম্প্রতিক সময়ে আফ্রিকার দেশগুলোতে ইন্টারনেটের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়ছে। সাইবার ক্যাফের সংখ্যাও দিন দিন বাড়ছে সেখানে। তবে ডেস্কটপ কম্পিউটার ব্যবহার করতে গেলে তুলনামূলকভাবে খরচটা একটু বেশিই হয়। পাশাপাশি সারা বিশ্বেই ট্যাবলেট পিসি জনপ্রিয় ডিভাইসে পরিণত হচ্ছে। সেক্ষেত্রে আফ্রিকার সাইবার ক্যাফেগুলোতে ট্যাবলেট পিসির ব্যবহার তাদের খরচ কমিয়ে দিতে পারে বলেই ধারণা করছে গুগল। তার জন্যই পরীক্ষামূলকভাবে এই ক্যাফেটি চালু করেছে গুগল। তারা আশা করছে, ট্যাবলেট ক্যাফের এই ধারণা জনপ্রিয় হয়ে উঠবে আফ্রিকার দেশগুলো।
 
Make your Website... within your affordable Budget.
Know more details pls visit: www.ucebd.com

আট মাস পর নিষেধাজ্ঞামুক্ত ইউটিউব :: দৈনিক ইত্তেফাক

আট মাস পর নিষেধাজ্ঞামুক্ত ইউটিউব :: দৈনিক ইত্তেফাক

আট মাস পর নিষেধাজ্ঞামুক্ত ইউটিউব
দেশব্যাপী ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে তুলে নেওয়া হলো ইউটিউবের উপর নিষেধাজ্ঞা। টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি'র সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গতকাল বুধবার (৫ জুন) থেকে আবার বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা প্রবেশ করতে পারছেন ভিডিও শেয়ারিংয়ে জনপ্রিয় এই ওয়েবসাইটে। বিটিআরসি'র চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি বোস গতকাল ইউটিউবের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিষয়টি জানান। মহানবী (সা.) কে নিয়ে তৈরি বিতর্কিত চলচ্চিত্র 'ইনোসেন্স অব মুসলিম' ইউটিউবে প্রকাশ হওয়ার ঘটনায় গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর দেশে সাইটটি বন্ধ করে দেয় সরকার। বিতর্কিত চলচ্চিত্রটি এখনও ইউটিউবে থাকলেও বিটিআরসি চেয়ারম্যান বলেছেন, 'এখনও আমরা চলচ্চিত্রটি সরিয়ে নিতে গুগল'র সাথে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি।' তবে ইতোমধ্যেই গুগল'র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে কেবল বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য প্রযুক্তিগত কারণেই ভিডিওটি সরিয়ে নেওয়া সরানো যাবে না। এদিকে বিটিআরসি এবং সরকারের দায়িত্বশীল মন্ত্রীরা একাধিকবার ইউটিউব খুলে দেওয়ার কথা বললেও সেসব ঘোষণা বাস্তবে রূপ লাভ করেনি। গত ২৮ নভেম্বর তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু জানিয়েছিলেন শিগগিরই দেশে ইউটিউব খুলে দেওয়া হবে। বিটিআরসির চেয়ারম্যানও গত বছরের চতুর্থ প্রান্তিকে 'ডিসেম্বর মাসের' মধ্যে ইউটিউব খুলে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এর পরে জানুয়ারি মাসে তিনি জানান, 'ইউটিউব বিতর্কিত চলচ্চিত্রটি সরিয়ে না নিলে ইউটিউব চালু করা হবে না।' ইউটিউব কর্তৃপক্ষ তখন জানিয়েছিল তারা ভিডিওচিত্রটি সরাবেন না। ফলে খোলেনি ইউটিউব সংক্রান্ত জট। তবে গতকাল এসে শেষ পর্যন্ত আট মাস পরে নিষেধাজ্ঞার কবল থেকে মুক্তি পেল ইউটিউব। উল্লেখ্য, বর্তমানে বাংলাদেশের জন্য গুগল বা ইউটিউবের আলাদা কোনো আইডেন্টিটি, সার্ভার, ক্লাস্টার ও সাব-ডোমেইন নেই। বাংলাদেশের জন্য এখনই পৃথক সার্ভার সিস্টেম গড়ে তোলার পরিকল্পনাও নেই তাদের। ফলে গুগলের পক্ষে ওই ভিডিও শুধু বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের জন্য বন্ধ করা সম্ভব হবে না। প্রসঙ্গত, পাকিস্তান, সিরিয়া, ইরান, আফগানিস্তান ও লিবিয়ায় ইউটিউব বন্ধ রয়েছে।
 
Make your Website... within your affordable Budget.
Know more details pls visit: www.ucebd.com