২০২০ সাল হবে প্রযুক্তিময় - প্রথম আলো
সম্প্রতি এরিকসন বাংলাদেশ লিমিটেড (ইবিএল) ‘নেটওয়ার্ক সোসাইটি’ শীর্ষক আয়োজনে ২০২০ সালে সারা বিশ্বে কী কী প্রযুক্তি আসবে, তা নিয়ে নিজেদের একটি প্রতিবেদন প্রকাশকরেছে। এতে বলা হয়, ২০১০ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে ১০০ কোটি থেকে ৫০০ কোটি যন্ত্রাংশ একে অপরের সঙ্গে যুক্ত থাকবে। ৯৩ কোটি মুঠোফোন ও ৩৩ কোটি স্মার্টফোন ব্যবহার করা হবে।৬৫ কোটি মুঠোফোনে ইন্টারনেট সংযোগ থাকবে।
এরিকসনের মবিলিটি রিপোর্ট অনুযায়ী, স্মার্টফোনের ২৫ শতাংশ ইন্টারনেট ব্যবহূত হয় ভিডিও দেখার জন্য। ঢাকায় ইবিএলের অতিথিশালায় সম্প্রতি এসব তথ্য তুলে ধরেন এরিকসন বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গ্যারি ডিউইং ও হেড অব কমিউনিকেশনস আশিকুর রাহমান।
অনুষ্ঠানে বলা হয়, এরিকসন নেটওয়ার্ক সোসাইটিতে সারা বিশ্বে জরিপ করে দেখা গেছে, ১০ শতাংশ মুঠোফোন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বাড়লে সেই দেশের ১ শতাংশ জিডিপি বাড়ে। কোনো দেশের ইন্টারনেটের গতি দ্বিগুণ হলেই জিডিপিও বাড়ে। ভবিষ্যতে গাড়িগুলো ইন্টারনেট দিয়ে সংযুক্ত হলে গাড়ি নিজেই ট্রাফিক জ্যামের মতো সমস্যাগুলো পাশ কাটিয়ে চলতে পারবে। এরিকসন ইতিমধ্যে এ নিয়ে কাজ করছে। মুঠোফোন ও ইন্টারনেটের ব্যবহার বাড়লে আইসিটি ও অর্থনীতির প্রবৃদ্ধিও বাড়বে।
এ ছাড়া প্রতি এক হাজার নতুন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বাড়লে ৮০টি নতুন কাজের সৃষ্টি হয়।
২০২০ সালের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তিকেন্দ্রিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ২১০ কোটি ব্যারেল তেল কম খরচে উৎপাদন করা সম্ভব বলেও উল্লেখ করা হয়। সব মিলিয়ে তথ্যপ্রযুক্তিকেন্দ্রিক প্রযুক্তি সারা বিশ্বে দারুণ সব উন্নতি আনবে। গ্যারি ডিউইং বলেন, বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম হবে না, থ্রিজি আসছে, স্মার্টফোনের দাম কমে আসছে।
সব মিলিয়ে বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষ একে অন্যের সঙ্গে সংযুক্ত হলে দেশেরও সামগ্রিক পরিবর্তন আসবে।
—নিজস্ব প্রতিবেদক
Mob: 01935 933 933
www.ucebd.com
সম্প্রতি এরিকসন বাংলাদেশ লিমিটেড (ইবিএল) ‘নেটওয়ার্ক সোসাইটি’ শীর্ষক আয়োজনে ২০২০ সালে সারা বিশ্বে কী কী প্রযুক্তি আসবে, তা নিয়ে নিজেদের একটি প্রতিবেদন প্রকাশকরেছে। এতে বলা হয়, ২০১০ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে ১০০ কোটি থেকে ৫০০ কোটি যন্ত্রাংশ একে অপরের সঙ্গে যুক্ত থাকবে। ৯৩ কোটি মুঠোফোন ও ৩৩ কোটি স্মার্টফোন ব্যবহার করা হবে।৬৫ কোটি মুঠোফোনে ইন্টারনেট সংযোগ থাকবে।
এরিকসনের মবিলিটি রিপোর্ট অনুযায়ী, স্মার্টফোনের ২৫ শতাংশ ইন্টারনেট ব্যবহূত হয় ভিডিও দেখার জন্য। ঢাকায় ইবিএলের অতিথিশালায় সম্প্রতি এসব তথ্য তুলে ধরেন এরিকসন বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গ্যারি ডিউইং ও হেড অব কমিউনিকেশনস আশিকুর রাহমান।
অনুষ্ঠানে বলা হয়, এরিকসন নেটওয়ার্ক সোসাইটিতে সারা বিশ্বে জরিপ করে দেখা গেছে, ১০ শতাংশ মুঠোফোন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বাড়লে সেই দেশের ১ শতাংশ জিডিপি বাড়ে। কোনো দেশের ইন্টারনেটের গতি দ্বিগুণ হলেই জিডিপিও বাড়ে। ভবিষ্যতে গাড়িগুলো ইন্টারনেট দিয়ে সংযুক্ত হলে গাড়ি নিজেই ট্রাফিক জ্যামের মতো সমস্যাগুলো পাশ কাটিয়ে চলতে পারবে। এরিকসন ইতিমধ্যে এ নিয়ে কাজ করছে। মুঠোফোন ও ইন্টারনেটের ব্যবহার বাড়লে আইসিটি ও অর্থনীতির প্রবৃদ্ধিও বাড়বে।
এ ছাড়া প্রতি এক হাজার নতুন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বাড়লে ৮০টি নতুন কাজের সৃষ্টি হয়।
২০২০ সালের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তিকেন্দ্রিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ২১০ কোটি ব্যারেল তেল কম খরচে উৎপাদন করা সম্ভব বলেও উল্লেখ করা হয়। সব মিলিয়ে তথ্যপ্রযুক্তিকেন্দ্রিক প্রযুক্তি সারা বিশ্বে দারুণ সব উন্নতি আনবে। গ্যারি ডিউইং বলেন, বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম হবে না, থ্রিজি আসছে, স্মার্টফোনের দাম কমে আসছে।
সব মিলিয়ে বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষ একে অন্যের সঙ্গে সংযুক্ত হলে দেশেরও সামগ্রিক পরিবর্তন আসবে।
—নিজস্ব প্রতিবেদক
Posted by:
Uttara InfoTechMob: 01935 933 933
www.ucebd.com